ব্রেকিং
🔥 AI দিয়ে ছবি তৈরি কতটা নিরাপদ? ব্যবহারের আগে জানুন এই বিষয়গুলি     🔥 শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের আগে কোন ৫টি বিষয় মাথায় রাখবেন?     🔥 কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? কীভাবে মিলবে স্বস্তি?     🔥 সন্ধেবেলায় যে ৭টি কাজ ভুলেও করবেন না! প্রচলিত বিশ্বাস ও বাস্তব সতর্কতা জানুন     🔥 মুরারইয়ে STF ও পুলিশের যৌথ অভিযান, বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার! গ্রেফতার ম্যানেজার ও মালিক    
সহজ পাঠ
হোম › দক্ষিণবঙ্গ › বর্তমান সংবাদ
দক্ষিণবঙ্গ

৭২ এও মাটির টানে, ৫৮ বছর ধরে প্রতিমা গড়ছেন কৃষ্ণনগরের গীতা পাল

৭২ বছর বয়সেও মাটির টান অটুট কৃষ্ণনগরের প্রবীণ মৃৎশিল্পী গীতা পালের। মাত্র ১৪ বছর বয়সে শুরু, পেরিয়েছে ৫৮ বছরের দীর্ঘ শিল্পযাত্রা।

25 সেপ্টেম্বর 2026, 01:17 দুপুর 3641 বার পড়া হয়েছে
৭২ এও মাটির টানে, ৫৮ বছর ধরে প্রতিমা গড়ছেন কৃষ্ণনগরের গীতা পাল

৭২ এও মাটির টানে, ৫৮ বছর ধরে প্রতিমা গড়ছেন কৃষ্ণনগরের গীতা পাল

শেয়ার করুন
নিজস্ব প্রতিবেদন,দ্য সহজ পাঠ ডেস্ক : বয়স ৭২ হলেও মাটির টান আজও অটুট। মাত্র ১৪ বছর বয়সে হাতে মাটি তুলে নিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের পালপাড়ার মৃৎশিল্পী গীতা পাল। সেই থেকে শুরু পথচলা। দেখতে দেখতে ৫৮ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। বদলেছে এই দীর্ঘ সময়ে অনেক কিছু,তবে প্রতিমা তৈরির নেশা থেকে সরে যাননি তিনি।

মাত্র ১৪ বছর বয়সেই মৃৎশিল্পের কাজ শেখা শুরু করেন গীতা পাল। ধীরে ধীরে রপ্ত করেন প্রতিমা তৈরির যাবতীয় খুঁটিনাটি। মাটির কাঠামো তৈরি থেকে শুরু করে প্রতিমার মুখের আদল, চোখ-নাকের নিখুঁত গড়ন এবং সূক্ষ্ম কারুকাজ। নিজের হাতেই জাদুতেই ফুটিয়ে তোলেন দেবদেবীর রূপ।

প্রতিমা তৈরির লিস্টে রয়েছে দুর্গা, কালী, জগদ্ধাত্রী সহ বিভিন্ন দেবদেবী। কৃষ্ণনগরের পালপাড়ার এই শিল্পীর তৈরি প্রতিমার কদর রয়েছে বহু জায়গায়। নদিয়া ছাড়িয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও পৌঁছে যায় তাঁর হাতে তৈরি প্রতিমা।

দীর্ঘ ৫৮ বছরের অভিজ্ঞতায় গীতা পালের হাতের কাজ পেয়েছে আলাদা পরিচিতি। বয়স বাড়ায় এখন আগের মতো বেশি কাজ করতে পারেন না। তবুও সুযোগ পেলেই মাটির কাজে হাত লাগান তিনি।

তার কাছে  প্রতিমা তৈরী শুধু পেশা নয়, দীর্ঘ জীবনের সঙ্গী। বয়স ৭২ পেরোলেও সেই ভালোবাসায় ভাটা পড়েনি। মাটি, খড় আর রঙের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যেন জীবনেরই অংশ। তাই শরীর যতদিন সঙ্গ দেবে, ততদিন নিজের হাতে প্রতিমা গড়ে যেতে চান এই প্রবীণ মৃৎশিল্পী।
ট্যাগ: Bengal traditional art,

প্রতিবেদন

Admin User

সহজ পাঠ-এর পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।