নিজস্ব প্রতিবেদন:
কালীপুজো আসতে এখনও কিছুটা দেরি। তবে উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। বিশেষ করে বাজির বাজারে ধীরে ধীরে বাড়ছে তৎপরতা। কালীপুজো মানেই আলোর রোশনাই, প্রদীপের সাজ আর আতশবাজির ঝলকানি। আর সেই উৎসবকে সামনে রেখেই বাজি ব্যবসায়ীদের মধ্যে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।
প্রতি বছরই কালীপুজোর সময় বিভিন্ন ধরনের আতশবাজির চাহিদা দেখা যায়। রংমশাল, ফুলঝুরি, তুবড়ি, চরকি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশবান্ধব বাজির দিকে ঝোঁক থাকে ক্রেতাদের। তবে সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে বাজির পছন্দও। শব্দবাজির পরিবর্তে আলোর বাজির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে অনেকের।
অন্যদিকে, পরিবেশ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নির্দেশিকাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নির্ধারিত নিয়ম মেনে বাজি বিক্রি এবং ব্যবহার নিশ্চিত করতে নজরদারি চালানো হয়। বিশেষ করে নিষিদ্ধ বাজির বিক্রি রুখতে প্রশাসনের তৎপরতা থাকে চোখে পড়ার মতো।
তবে এবছর বাজির বাজারে কোন ধরনের বাজির চাহিদা বেশি থাকবে? গত বছরের তুলনায় দাম কতটা বাড়বে? পরিবেশবান্ধব বাজির বাজারই বা কতটা জমবে? উৎসব যত এগিয়ে আসবে, ততই স্পষ্ট হবে ছবিটা।
কালীপুজোর এখনও কয়েকটা দিন বাকি। কিন্তু উৎসবের আমেজ যে ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে, বাজির বাজারের প্রস্তুতিই তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।