সংবাদ প্রতিবেদন :
বক্সার জঙ্গলে নতুন ঠিকানা গড়ার কথা ছিল তার। কিন্তু বাংলার জঙ্গল ছেড়ে অসমের রাইমোনা অরণ্যে পাড়ি দিয়েছে তিন বছরের ‘ডুয়ার্স রানি’। এবার তাকে বক্সায় ফিরিয়ে আনতে সরাসরি অসমের জঙ্গলে পৌঁছে গেলেন বাংলার বনমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও। বন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বাঘিনির খোঁজে অভিযানে সামিল হয়েছেন তিনি। শনিবার নিজের সমাজমাধ্যমে অভিযানের ভিডিয়োও প্রকাশ করেছেন বনমন্ত্রী।
গত ২ অক্টোবর বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র থেকে বাঘিনিটিকে নিয়ে আসা হয়েছিল বক্সা ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রে। বক্সার জঙ্গলে বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নিয়েছিল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের উপস্থিতিতে বাঘিনিটিকে জঙ্গলে ছাড়া হয়।
তবে বক্সায় আসার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তার গতিবিধি নিয়ে নতুন করে চিন্তা বাড়ে বনকর্তাদের। নজরদারিতে দেখা যায়, রাজ্যের সীমানা পেরিয়ে অসমের রাইমোনা জঙ্গলে পৌঁছে গিয়েছে বাঘিনিটি। এরপর থেকেই তার গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখতে শুরু করে বন দফতর। উত্তরবঙ্গ থেকেও বাঘ সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞ আধিকারিকদের অসমে পাঠানো হয়।
এর আগে বনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, অসম প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। প্রয়োজনে নিজেও অভিযানে যোগ দেবেন। সেই প্রতিশ্রুতি মতো এবার বন দফতরের বিশেষ দলের সঙ্গে রাইমোনা জঙ্গলে হাজির হলেন তিনি। বাঘিনির অবস্থান চিহ্নিত করে তাকে নিরাপদে বক্সায় ফিরিয়ে আনাই এখন মূল লক্ষ্য।
যদিও বনমন্ত্রী আগে আশার কথা শুনিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বাঘিনি হয়তো নতুন এলাকা চিনে নিতেই সাময়িকভাবে রাইমোনায় গিয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে সে আবার বক্সায় ফিরতে পারে। এবার অবশ্য তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় সরাসরি জঙ্গলে নেমেছেন বনমন্ত্রী। শেষ পর্যন্ত ‘ডুয়ার্স রানি’কে কি ফেরানো যাবে বক্সার অরণ্যে? এখন সেদিকেই নজর বন দফতরের