স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ফ্ল্যাক্স সিড (Flax Seed)। বাংলায় যা পরিচিত তিসি বীজ নামে। আকারে ছোট হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই বীজ। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার, প্রোটিন এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের উৎস হিসেবে ফ্ল্যাক্স সিডকে স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় রাখা হয়।
হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যে উপকারী: ফ্ল্যাক্স সিডে থাকা আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড (ALA) এক ধরনের উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। পাশাপাশি সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করতে পারে।
হজমশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে: ফ্ল্যাক্স সিডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে এবং অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: ফ্ল্যাক্স সিডের ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। ফলে বারবার খিদে পাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চার সঙ্গে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা: ফাইবারসমৃদ্ধ এই বীজ খাবার থেকে শর্করা শোষণের গতি ধীর করতে পারে। তবে ডায়াবেটিসের চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ফ্ল্যাক্স সিড ব্যবহার করা উচিত নয়
মনে রাখবেন, ফ্ল্যাক্স সিড কোনও জাদুকরী খাবার নয়। সুস্থ থাকতে সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।