ব্রেকিং
🔥 AI দিয়ে ছবি তৈরি কতটা নিরাপদ? ব্যবহারের আগে জানুন এই বিষয়গুলি     🔥 শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের আগে কোন ৫টি বিষয় মাথায় রাখবেন?     🔥 কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? কীভাবে মিলবে স্বস্তি?     🔥 সন্ধেবেলায় যে ৭টি কাজ ভুলেও করবেন না! প্রচলিত বিশ্বাস ও বাস্তব সতর্কতা জানুন     🔥 মুরারইয়ে STF ও পুলিশের যৌথ অভিযান, বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার! গ্রেফতার ম্যানেজার ও মালিক    
সহজ পাঠ
হোম › অন্যান্য › বর্তমান সংবাদ
অন্যান্য

কোলেস্টেরল রুখতে পাতে রাখুন এই খাবারগুলি, উপকার পেতে বদলান খাদ্যাভ্যাস

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাসে নজর দেওয়া জরুরি। ওটস, ডাল, বাদাম, ফল ও শাকসবজির মতো ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত পাতে রাখতে পারেন।

29 সেপ্টেম্বর 2026, 03:08 দুপুর 500 বার পড়া হয়েছে
কোলেস্টেরল রুখতে পাতে রাখুন এই খাবারগুলি, উপকার পেতে বদলান খাদ্যাভ্যাস

কোলেস্টেরল রুখতে পাতে রাখুন এই খাবারগুলি, উপকার পেতে বদলান খাদ্যাভ্যাস

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদন, দ্য সহজপাঠ ডেস্ক : রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল বেশি থাকলে ধমনিতে চর্বি জমার আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমিয়ে আঁশ, ডাল, শাকসবজি, ফল এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

ওটস:
সকালের খাবারে ওটস রাখতে পারেন। এতে দ্রবণীয় ফাইবার বা সলিউবল ফাইবার রয়েছে, যা এলডিএল কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। ওটসের পাশাপাশি অন্যান্য গোটা শস্যও খাদ্যতালিকায় রাখা উপকারী।

ডাল ও বিভিন্ন শস্যদানা:
মসুর ডাল, রাজমা, ছোলা, মটরশুঁটির মতো ডালজাতীয় খাবারে প্রচুর ফাইবার থাকে। নিয়মিত পরিমাণমতো ডাল খেলে খাদ্যতালিকায় উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ও আঁশ দু’টিই যোগ হয়।

বাদাম:
কাঠবাদাম, আখরোট, পেস্তা সহ বিভিন্ন ধরনের বাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তবে ক্যালোরি বেশি হওয়ায় পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়াই ভালো। নুন বা অতিরিক্ত মশলা দেওয়া বাদামের বদলে সাধারণ বাদাম বেছে নেওয়া যেতে পারে।

ফল ও সবজি:
আপেল, কমলালেবু, বিভিন্ন বেরি, ব্রকোলি, গাজর-সহ নানা ধরনের ফল ও সবজি নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে। এগুলিতে থাকা ফাইবার ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান হৃদ্‌স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ।


অন্যদিকে, অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভাজাভুজি, চর্বিযুক্ত মাংস এবং অতিপ্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো জরুরি।


তবে শুধু কোনও একটি খাবার খেলেই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে এমন নয়। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। যাঁদের কোলেস্টেরল ইতিমধ্যেই বেশি, তাঁদের খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তনের আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ট্যাগ: স্বাস্থ্য

প্রতিবেদন

Admin User

সহজ পাঠ-এর পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।