বীরভূমের দুবরাজপুরে গৃহবধূ বর্ষা দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার হলেন তাঁর স্বামী ধরম বাউরী। মঙ্গলবার সকালে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন তাঁর স্বামী। অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার ধৃতকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হয়। ঘটনার তদন্তের স্বার্থে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুবরাজপুর পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সেনপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন বর্ষা দাস ও তাঁর স্বামী ধরম বাউরী। মঙ্গলবার সকালে ওই বাড়ি থেকেই বর্ষার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ঘটনার পর থেকেই ধরম বাউরীর খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার আদালতে পেশ করার পর তদন্তের স্বার্থে তাঁকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
তবে গৃহবধূর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। এটি আত্মহত্যা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মৃত্যুর আগে বর্ষার সঙ্গে কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না, পারিবারিক কোনও অশান্তি ছিল কি না, সেই সমস্ত বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে।